আমার একান্ত কিছু শব্দের মানুষগুলো

আমার একান্ত কিছু অনুভূতি আমার কলমের সাথে ভাব জমায় আমি তাদের সাথে পথ পাড়ি দেই একাকী

Wednesday, August 29, 2012

অ আ আজকের লেখালেখি - ৭২

ক'দিন ধরে ভাবলাম। একটা কবিতা লিখবো। দারুন কিছু শব্দ নিয়ে। শুধু শুধু ভালোবাসা নিয়ে নয়, কিছু স্বপ্ন, কিছু দু:খ, সব কিছু মিলিয়ে দারুন কোন একটা কবিতা। সেই পুরানো রাস্তা ধরে হাঁটতে কবিতা, সরু রাস্তার শেষ মাথা পৌছে যাওয়া অব্দি কিছু লেখার চেষ্টা। অনেক ভাব
লাম, একবার নয় গোটা অষ্টম ভাবনা শেষে ক্লান্ত হলাম। নাহ! আজ হচ্ছে না কোন কবিতা। দুঃখিত কবিতা। আজ তোর দিন ছিল না। তাও পুরানো ভাত বাড়ে সেই রকম ভাবনা ভেবে পুরানো একটা প্রিয় কবিতাকে নিয়ে আপতত দিনপাত করি।

মায়া মাটির শেকড়

পঁচিশ বছরের মায়া মাটির বুকের
নিজের শেকড় উপড়িয়ে দিয়ে
যাচ্ছি চলে ;

পেছনে
স্রেফ স্মৃতির অলিগলি;
স্কুল বন্ধুর কাঁধে হাত রেখে
ফেরার পথে হেঁটে চলা,
বিকালের রোদে ছুটে যাই
যতদূর দেখা যায় আকাশের সীমানা।
সন্ধ্যায় মসজিদের ইমামের গম্ভীর কন্ঠে ঘর ফেরার ডাক,
বিশাল বৃক্ষের ছায়ায় বেঞ্চে
সীমাহীন আড্ডা।

শুধু সঙ্গে থেকে যাওয়া
হাওয়ায় হাওয়ায় অনেকগুলো
প্রিয় গন্ধ ভাসে ;
বৃষ্টির শেষে ভেজা মাটির,
বুনো লেবুর,
পোড়া খড়ের,
মায়ের সাদা শাড়িতে হলুদের ।

দু’একজন অশ্রু সজলে বলে,
“তুই মায়া ফেলে চলে যাচ্ছিস?”
আমি হেসে বলি, ‘মায়া’, শব্দটা
আমার কাছে এখন
নিছক ছেলেমানুষী ”।
স্রেফ অতীতে মায়ার তোড়ে;
ভেসে গেছি বহুবার,
মাটির মায়ায় দূর দেশের সোনার হাতছানিতে মন টেকে নি।
ভালবাসার নারীর মায়ায়
কষ্ট পুষেছি বছরের পর বছর,
স্বপ্নের মায়ায় হাল খাতা খুলে চোখের জলে হিসেব নিকেষ,
নতুন করে স্বপ্নভঙ্গের শংকায়
ভয় পেয়েছি নতুন স্বপ্নের স্পন্দনে।

পুরানো ভারী পাথরের কষ্টটা
এতটাই জাকিয়ে বসেছিল
দুম করে মরে যাওয়ার
ইচ্ছে ছিল প্রবল।

আর এখন ‘মায়া’ বিলুপ্ত প্রায়।
আজ আমি এক নতুন সূর্যদয়ের গল্প
আর পেছনে
সেই পুরানো মায়া
আর উপড়ানো শেকড় বাঁকড়।

(০১.০৮.০৪)

২৪ই আগষ্ট, ২০১২
-------------------------------------------------------------------------------
লেখালেখি ৩৬৫ প্রজক্টে ৭২/৩৬৫

পুরাতন লেখালেখিগুলো http://ayonahmed.blogspot.com/

অ আ আজকের লেখালেখি - ৭১

একদিন বৃষ্টিতে বিকেলে
থাকবে না সাথে কোনো ছাতা
শুধু দেখা হয়ে যাবে মাঝ রাস্তায়
ভিজে যাবে চটি জামা মাথা
থাকবে না রাস্তায় গাড়ি-ঘোড়া
দোকানপাট সব বন্ধ
শুধু তোমার আমার হৃদয়ে
ভিজে মাটি সোডা গন্ধ


একদিন বৃষ্টিতে বিকালে
মনে পড়ে যাবে সব কথা
কথা দিয়ে কথাটা না রাখা
ফেলে আসা চেনা চেনা ব্যথা
অদূরে কোথাও কোন রেডিওতে
এই পথ যদি না শেষ হয়
আর বৃষ্টির রং বয়ে যাবে নীল
আর আকাশের রংটা ছাই....................

(একদিন বৃষ্টিতে বিকেলে - অঞ্জন দত্ত ।)

ক'দিন ধরে টানা প্রচন্ড বৃষ্টি পড়ছিল। বাড়ী ফেরার পথে আমি এই অঞ্জনের এই গানটি শুনছিলাম গাড়ীতে । অদ্ভূত রকম ভালো লাগছিল। আকাশটা খুব মন খারাপ করা ছিল। সব দোকান পাট বন্ধ। ছিমছাম রাস্তা। গাড়ী-ঘোড়া ছিল না তেমন কোথাও। শুধু জোরশে বৃষ্টির শব্দ "ঝমঝম ঝমঝম"।

২৩ই আগষ্ট, ২০১২
-------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
লেখালেখি ৩৬৫ প্রজক্টে ৭১/৩৬৫

পুরাতন লেখালেখিগুলো http://ayonahmed.blogspot.com/

Thursday, August 23, 2012

অ আ আজকের লেখালেখি - ৭০

ঈদ শেষে আজ অফিস খুললো। আমাদের মতন যাদের ঢাকা ছাড়া কোথাও যাওয়ার নেই তাদের কাছে এ ক'দিনে ঢাকা ছিল দারুন রকমের ছিমছাম। চমৎকার গুছানো একটা ছবির মতন শহর। যেখানে গিয়েছি সময় মতন পৌঁছেছি । প্রতিটি রিকসা ভ্রমন ছিল স্বর্গীয় অনুভূতির। সচারচর আজকাল রিকসাতে চড়ি
 না, কেবল ঈদ এলেই যা একটু চড়তে বসা। ঈদ ব্যতীত রিকসার জন্যে আমাদের ঢাকার অনেক রাস্তাগুলোতে প্রবেশ নিষিদ্ধ। তাই শুধু ঈদেই প্রান খুলে ঘোরা ফেরা করা যায়। রিকসাওয়ালা আব্দার করে কিছু বাড়িয়ে ভাড়া দেই। শাহবাগের কাছে শিশু পার্কে শিশুদের ভিড় বাড়ছে, শিশুরা অনেকদিন পর মুখে তৃপ্তি নিয়ে বাড়ী ফিরছে। টি.এস.সির মোড়ে জম্পেশ আড্ডার আসর। চটপটির দোকানগুলোতে ফুচকা, পেয়াজ আলুতে সাজানো, গোছানো তার চারপাশ ঘিরে কেউ খাচ্ছে চটপটি, ফুচকা খাচ্ছে, তরুন কারোর গায়ে পাঞ্জাবী, তরুনীর পরনে শাড়ি, কেউবা শার্ট-প্যান্ট কেউবা নতুন হালে ফ্যাশনে থাকা সালোয়ার কামিজ। আজ সবাইকে দারুন লাগছে, কেননা সবাই আজ মন খুলে হাসছে। ইশ! এই রকম রোজ রোজ যদি ঈদ হতো, তাহলে আমরা মানুষগুলো সারাক্ষন হাসতাম, আনন্দ করতাম। তাহলে কোথাও কোন হুড়াহুড়ি থাকত না , থাকত না বাড়ী ফেরার তাড়া।

২২ই আগষ্ট, ২০১২
------------------------------------------------------------------------
লেখালেখি ৩৬৫ প্রজক্টে ৭০/৩৬৫

(সাময়িক ব্যস্ততায় আপলোডে বিলম্বিত হল, সেজন্য দুঃখ প্রকাশ করছি।)

পুরাতন লেখালেখিগুলো http://ayonahmed.blogspot.com/

অ আ আজকের লেখালেখি - ৬৯

ঈদের দ্বিতীয় দিন। বেলা করে উঠলাম। দশ মাসে পা দেওয়া আমার ভাগনে আদ্বিয়ান আমাকে ঘুম থেকে তুললো। এই কাজটা সে অনেক আনন্দ নিয়ে করে। আমাকে ঘুম থেকে তোলার আগে আমাকে সে অনেকক্ষন ধরে পর্যবেক্ষন করে তারপর গায়ে উঠে ঝাকাঝাকি আরম্ভ করে। আমি অনেক সময় ঘুমের ভান কর
ি। তখন ওর অস্থিরতা বাড়ে। বিচিত্র শব্দ করে ডাকে, ‍‌‍"অঅঅআআইআ"। তারপর আমি ঘুম থেকে উঠার পর ওকে নিয়ে ঘরের ভিতর কয়েকটা ঘুরপাক খেতে হয় এইটা মানে হলো, ঘরের ভিতর বেড়াতে বের হওয়া। আদ্বিয়ান প্রচন্ড রকম ঘুরতে পছন্দ করে । ও প্রচন্ডরকম মামা ভক্ত । তাই ঘোরাঘোরি আব্দারটা আমার কাছে বেশী করে। ঈদের দ্বিতীয় দিনটা ছিল মামা-ভাগনে ঈদ।

২১ই আগষ্ট, ২০১২
-------------------------------------------------------------------- লেখালেখি ৩৬৫ প্রজক্টে ৬৯/৩৬৫

(ঈদ ব্যস্ততায় আপলোডে বিলম্বিত হল, সেজন্য দুঃখ প্রকাশ করছি।)

পুরাতন লেখালেখিগুলো http://ayonahmed.blogspot.com/

অ আ আজকের লেখালেখি - ৬৮

বৃষ্টিস্নাত ঈদ। সকালবেলাতে প্রচন্ড বৃষ্টিতে ভিজতে হলো। প্রতিবারের মতন এবারও আমার ছেলেবেলার পাড়াতে ছুটে গেলাম ঈদের নামায পড়তে। আমাদের প্রিয় খেলার মাঠে ঈদের জামাত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বেরসিক বৃষ্টির জন্যে সেই প্রিয় মাঠে আর জামাত হলো না। আমাদের পুরান
ো বাড়ীর কাছেই বিসমিল্লাহ মসজিদে ঈদের নামাযটা পড়লাম। তারপর সারা মহল্লা দাপিয়ে বেড়ালাম। পুরানো সব বন্ধুদের সাথে দেখা হয়ে গেল। অনেকের সাথে বিগত বছরখানেক আগে দেখা হয়েছিল। ঈদের কারনে অনেক হারানো মুখ ফিরে পাই। আবার বৃষ্টির কারনে বাড়ী ফিরলাম। সারাদিন বৃষ্টিতে বাড়ী বন্দী। ঘুমকাতুরে ঈদ। রাতে আবার আড্ডা দিতে বেরোলাম। ফিরলাম শেষ রাতের দিকে।

২০ই আগষ্ট, ২০১২
-----------------------------------------------------------------------
লেখালেখি ৩৬৫ প্রজক্টে ৬৮/৩৬৫

(ঈদ ব্যস্ততায় আপলোডে বিলম্বিত হল, সেজন্য দুঃখ প্রকাশ করছি।)

পুরাতন লেখালেখিগুলো http://ayonahmed.blogspot.com/

অ আ আজকের লেখালেখি - ৬৭

ঈদ আমাদের চির সুখের ঠিকানা
------------------------------
আকাশে চিকন চাঁদ,
কাল ঈদ।
কেউ হাসছে খুশীতে,
কেউ কাঁদছে গুমরে গুমরে,
কেননা

হয়ত এবার
কেউ আছে
বাবা হারিয়ে ফুঁপাচ্ছে,
কেউবা মা হারিয়ে,
কেউ কেউ আছে প্রিয় মানুষ হারা।
অথচ বিগত ঈদে তাদের
অনেকেই ছিল
আনন্দের মধ্যমনি।

অনেকে হয়ত এবার
নতুন কাপড়ে ঈদ হবে না
প্রিয় মানুষ নতুন কাপড় না পেয়ে
পুরানো কিছুতে ডুবে থাকবে
ছিনতাইকারীর হাতে
বোনাসের টাকা হারিয়ে
কেউ গ্রামের বাড়িতে ফিরবে না
এবার তাঁর ঈদ কাটবে একা
চার দেয়ালে বদ্ধ ঘরে।

তবু বিষন্নতায় ডুবে থাকি না
আমরা নতুন আলোতে মেতে উঠি
এবার ঘরে
এসেছে নতুন শিশু,
কেউ চলে গেছে
সেই নতুন শিশুকে স্থান দিতে।

আমাদের হাজারো কষ্টের মাঝে
আমরা অন্তত একটা দিন
ভালো থাকি
উল্লাস করি চিৎকারে
আনন্দে ভাসি অবিরাম

ঈদ হোক এবার
আমাদের সবার
চির সুখের ঠিকানা।

(অয়ন আহমেদ)

১৯ই আগষ্ট, ২০১২
------------------------------------------------------------------------
লেখালেখি ৩৬৫ প্রজক্টে ৬৭/৩৬৫

পুরাতন লেখালেখিগুলো http://ayonahmed.blogspot.com/

Saturday, August 18, 2012

অ আ আজকের লেখালেখি - ৬৬

I’m a simple man 
I’ve walked a long road 
My shoes are torn 
But still doing alright 

Some dreams are lost 
Don’t chase them no more 
I’ll wait and see 

What tomorrow brings 
When I walk East 
I feel like going home 
No matter how long I walk 
There will be no home anymore 

I met a girl in the valley 
Who gave me a diamond ring 
And gave me a promise 
To be by my side 

Sometimes we sit down 
Where the river flows 
And talk about the days 
When we were young and wild 

Now when I look up 
Dark clouds slowly pass me by 
Guess it’s only a phase 
We are going thru 

I miss some faces 
Familiar voices 
Calling my name 
Making me love my life 

Time goes so fast 
Memories star fading away 
I believe someday 
It will come back my way 
Well, it’s okay............. 

(গীতিকার ও সুরকার : নাহিয়ান ইমাম) 

এ গানটা আমার ভাই নাহিয়ানের লেখা। ও অসম্ভব চমৎকার কথার ভিতরে গানটাকে গুছিয়ে নিয়েছে। গীটার নিয়ে প্রায়ইশ ওকে দেখতাম এটা ওটা নিয়ে গাইছে। আমাদের পারিবারিক কোন অনুষ্ঠানগুলোতে প্রায়ই ও গান গাইত। আজও গান গায় কিন্তু সুদূর প্রবাসে। খুব মিস করি নাহিয়ানের গাওয়া এই গানটা। 

১৮ই আগষ্ট, ২০১২
-------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
লেখালেখি ৩৬৫ প্রজক্টে ৬৬/৩৬৫

পুরাতন লেখালেখিগুলো http://ayonahmed.blogspot.com/